প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বসে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসর ও প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর ইন্ধনে বেআইনীভাবে মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন কক্সবাজার-২ আসনের জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ।
যাচাই-বাছাইয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক মনোনয়ন বাতিল ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় শুক্রবার রাত ১১টার দিকে জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান।
এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, মনোনয়ন বাতিলের মাধ্যমে কত বড় অপরাধ, অন্যায় হয়েছে তা আগামীতে প্রমানিত হবে। প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ফ্যাসিবাদের দোসররা বসে আছে। এই দোসরদের দ্বারা যে অন্যায় হলো, এর বিরুদ্ধে নিশ্চয়ই নির্বাচন কমিশন ব্যবস্থা নেবে।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ২০১৩ সালে আদালত অবমাননার এক তরফা মামলায় দুই মাসের মধ্যে রায় হয়েছিল। সেই জন্য সুপ্রিম কোর্টে আপীল করেছি। সেটি এখনও পেন্ডিং রয়েছে। আপীলে যে মামলা চলমান রয়েছে তা নিয়ে আমার উপর হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। ২০১৮ সালের নির্বাচনে এই মামলা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী চ্যালেঞ্জ করেছিল। কিন্তু তা টিকেনি। সেই ফ্যাসিবাদি আমলের মামলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা যদি অন্যের কথায় বায়াস্ট হয়ে এটি করে থাকেন তা খুবই দুঃখজনক।
এটি যে পক্ষপাতিত্ব তা তাঁর কাছে স্পষ্ট বলেও দাবি করেন হামিদুর রহমান আযাদ।
এর আগে শুক্রবার বিকেলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আদালত অবমাননার অভিযোগের মামলায় যথাযথ নথিপত্র উপস্থাপন করতে না পারার অভিযোগে কক্সবাজার-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী ও কেন্দ্রিয় সহকারি সেক্রেটারী জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদের প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।