পবিত্র কোরআন মানুষের হেদায়েতের উৎস। এতে প্রত্যেকের জন্য রয়েছে সত্য ও সঠিক পথের দিশা। এতে বর্ণিত হয়েছে বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর খাবারের বর্ণনা। যা খেলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে, মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি উন্নত করে। দীর্ঘমেয়াদে এটি সুস্থ ও কর্মক্ষম জীবনযাপনে সহায়তা করে।
বিত্র কোরআনে উল্লিখিত ৫টি স্বাস্থ্যকর খাবার এখানে তুলে ধরা হলো:
খেজুর
মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন, তুমি খেজুর গাছের গাছের কাণ্ডটি নিজের দিকে ঝাঁকাও, তোমার প্রতি তা তাজা পাকা খেজুর ঝরিয়ে দেবে। (সুরা মারিয়াম: ২৫)
উপকারিতা : খেজুর, রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয় খাবার, শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্যকারী বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজে সমৃদ্ধ।
মধু
মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন, তাদের পেট থেকে বের হয় বিভিন্ন রঙের পানীয়, যাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগ নিরাময়। (সুরা আন-নাহল: ৬৯)
উপকারিতা: মধু প্রায় সব ধরনের রোগের জন্য প্রাকৃতিক ওষুধ। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিদিন সকালে মধু মিশ্রিত পানি পান করতেন।
দুধ
মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন, জান্নাতের বর্ণনা, যার প্রতিশ্রুতি পরহেজগারদের দেওয়া হয়েছে, তাতে রয়েছে পানির নহর, যা কখনো পচে না, দুধের নহর, যার স্বাদ কখনো পরিবর্তিত হয় না। (সুরা মুহাম্মদ: ১৫)
উপকারিতা : পশুর দুধ, বিশেষত ছাগল এবং উটের দুধ, রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রায়ই পান করতেন।
জলপাই (অলিভ)
মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন, শপথ তীন ফল ও জলপাইয়ের। (সুরা আত-তীন: ১)
উপকারিতা : জলপাই জান্নাতের একটি খাদ্য। জলপাইয়ের তেল ত্বক ও চুলের যত্নে উপকারী এবং পেটের ক্ষতের চিকিৎসায় সহায়ক।
ডালিম
মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন, তাদের মধ্যে থাকবে ফলমূল, খেজুর ও ডালিম। (সুরা আর-রহমান: ৬৮ )
উপকারিতা : ডালিমে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং মেজাজ উন্নতিতে সাহায্য করে।