মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সরকারি বাহিনী ও সশস্ত্রগোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাব মাঝে মাঝে তীব্র আকার ধারণ করছে।
শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত প্রায় ৩/৪ ঘণ্টা ধরে টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্ত এলাকায় গোলাগুলি ও মর্টারশেলের ভারী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
ওপার থেকে আসা গুলি টেকনাফের বেশ কয়েকটি বসতবাড়ির টিনের চালা ভেদ করে ভেতরে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।
এছাড়া নাফ নদীতে মর্টারশেল পড়ার কারণে ধোঁয়ার কুণ্ডলীও দেখা গেছে। এতে বিকট শব্দে সীমান্ত সংলগ্ন ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠায় হ্নীলা, হোয়াইক্যং ও সাবরাং ইউনিয়নের বাসিন্দাদের মাঝে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা যায়, গত কয়েকদিনে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘাত আরও জোরালো হয়েছে। এলাকায় জান্তা বাহিনীর বিমান হামলায় একটি হাসপাতালে প্রায় অর্ধ শতাধিক নিহত হওয়ার খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
এতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারি এবং টহল জোরদার করেছেÑ যাতে কোনো নতুন অনুপ্রবেশ বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।
হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই খোকন কান্তি রুদ্র বলেন, শনিবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত মিয়ানমার সীমান্তের দিক থেকে গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। কয়েকটি বাড়িতে গুলি এসে পড়ার তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।