সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের বাহারছড়া গহীন পাহাড়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের পূর্ব জুম্মাপাড়া পাহাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাহারছড়া জুম্মাপাড়া পাহাড়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অপহরণকারী ও মানবপাচার চক্রের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এর আগে, গতকাল বুধবার রাতে একই এলাকায় প্রায় ২০/৩০ রাউন্ড গুলির শব্দ শুনতে পায়। বর্তমানে ঘরের ভিতরে থাকতেও অনিরাপদ বোধ করছেন বলে জানান তারা।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, বাহারছড়া পাহাড়ী এলাকায় প্রায় সময় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। কিন্তু সমাধানে সংশ্লিষ্টরা এখনো পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তাদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে যেকোন সময় এলাকায় বড় ধরনের সহিংসতা ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. ইলিয়াস বলেন, সন্ধ্যায় জুম্মাপাড়া এলাকার পূর্ব পাহাড়ে সন্ত্রাসীদের দুই গ্রুপের মধ্যে গুলিবিনিময় হয়েছে। এলাকার মানুষজন চরম আতঙ্কে রয়েছে।
বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ দুর্জয় বিশ্বাস জানান, ‘সন্ত্রাসীদের মধ্যে গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি’।
প্রসঙ্গত, গত ১৬ জানুয়ারি বিকেলে বাহারছড়া পাহাড়ে দুই সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে দুর্বৃত্তের ছোড়া গুলিতে সুমাইয়া আক্তার (১৮) নামে স্থানীয় এক তরুণী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।