বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সদস্য এয়ার কমোডর নুর-ই আলম বলেছেন, কক্সবাজার বিমানবন্দরের সম্প্রসারিত রানওয়ে নিয়ে 'বিআইডব্লিউটিএ যে সুপারিশ করেছে, তা কখনো বাস্তবায়ন সম্ভব নয়৷ কারণ সবার সঙ্গে আলোচনা করেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ে তৈরি করা হয়েছে।
আর এটির কারণে তো নৌ চলাচলের কোন সমস্যা হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার সকালে বিমানবন্দরের কনফারেন্স হলে আয়োজিত গণশুনানীতে বেবিচক সদস্য এয়ার কমোডর নুর-ই আলম এসব কথা বলেন।
বেবিচক সদস্য বলেন, বেবিচক সব ধরণের কাজ সম্পন্ন করেছে কক্সবাজার বিমানবন্দরের। সরকার চাইলে যেকোন মুহুর্তে আন্তর্জাতিকমানের ঘোষণা দিতে পারে৷
গণশুনানিতে বিমানবন্দর ব্যবহারকারীদের সেবার মান উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করে কক্সবাজার বিমানবন্দরে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
গণশুনানীতে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত সচিব এবং বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ নুরুল হুদা, বেবিচক এর পরিচালক (সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা) ও উপসচিব সানিউল ফেরদৌস।
এছাড়া অনুষ্ঠানে সাধারণ যাত্রী ও বিমান পরিবহণ সংশ্লিষ্টরাও অংশ নেন।
এর আগে ১০ ডিসেম্বর নৌ পরিবহণ মন্ত্রণালয়েল উপদেষ্টার একান্ত সচিব বরাবরে বিআইডব্লিউটিএ'র চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা স্বাক্ষরিত এক পত্রে কক্সবাজার বিমান বন্দর রানওয়ে সম্প্রসারণ প্রকল্পের সমুদ্র বুকে রানওয়ে নিমার্ণের জন্য স্থাপিত জেটিসহ অন্যান্য স্থাপনা উচ্ছেদের সুপারিশ করেছিল বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের গঠিত কমিটি।
বিআইডব্লিউটিএ'র নিয়ন্ত্রণাধীন কক্সবাজার নদী বন্দরের বন্দর সীমানাভুক্ত “কক্সবাজার বিমান বন্দর রানওয়ে সম্প্রসারণ” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মহেশখালী চ্যানেলের অভ্যন্তরে জেটি ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ করায় নৌ চ্যানেলের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণকরতঃ করণীয় সম্পর্কে সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনটিতে এসব স্থাপনার কারণে বিআইডব্লিউটিএ'র অনুকূলে ভ্যাট, আয়কর সহ মোট ৪ কোটি ১২ লাখ ৬৩ হাজার ৮৩০ টাকা বকেয়া রাজস্ব আদায়ের উদ্যোগ গ্রহণের কথাও বলা হয়েছে।