কক্সবাজার-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শহীদুল আলম বাহাদুর বলেছেন, গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন কক্সবাজারের এক ঐতিহ্যবাহী এলাকা। এই এলাকা থেকে উৎপাদিত বিভিন্ন কৃষি পণ্য জেলার খাদ্য চাহিদায় যোগান দিচ্ছেন। পর্যাপ্ত পরিমাণ সরকারি সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় কৃষকরা উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করতে পারছে না। অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে জনদুর্ভোগ লেগেই আছে। এই এলাকায় উচ্চ লেভেলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় পড়া লেখার জন্য দূর-দূরান্তে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারীদের জন্য বিশেষায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় আমাদের নারী শিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষা গ্রহণের জন্য দূরে যেতে হচ্ছে। জনগণের সমর্থনে আল্লাহর ইচ্ছায় আমরা দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে গর্জনিয়া-কচ্ছপিয়াবাসীর বিদ্যমান সমস্যা লাগবে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। আমরা এই জনপদের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবো। অতীতে যারা জনপ্রতিনিধি ছিল তারা বারবার মিথ্যা এবং মনভোলানো কথা বলে ভোট নিয়েছে কিন্তু সত্যিকারের জনগণের উন্নয়নে কাজ করেনি।
তিনি বলেন, আমরা আশ্বস্ত করছি গর্জনিয়া- কচ্ছপিয়াবাসীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ও কৃষি কাজের উন্নয়নে সকল অংশীজনের সাথে কথা বলে বঞ্চিত জনপদের মানুষের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়ি পাল্লা মার্কায় ভোট দিয়ে দেশ ও দেশের মানুষকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
২৮ জানুয়ারি বিকেলে গর্জনিয়া ফয়জুল উলুম মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পথসভায় তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
সমাজসেবক মাওলানা মোস্তাক আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পথসভায় বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি আল আমীন মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র সরওয়ার কামাল, রামু উপজেলা আমীর ফজলুল্লাহ মু. হাসান, সেক্রেটারি আবু নাঈম মুহাম্মদ হারুন, জাতীয় ছাত্র শক্তির জেলা সদস্য সচিব জায়েদ বিন আমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সঞ্চালনা করেন উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ তৈয়ব উল্লাহ ও ইউনিয়ন আমীর মাওলানা মুহাম্মদ নাসিম।
পথসভায় যোগদানের উদ্দেশ্যে সকাল থেকে শহীদুল আলম বাহাদুর কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন থেকে গণসংযোগ শুরু করে গর্জনিয়া বাজারে সংক্ষিপ্ত পথসভায় বক্তব্য রাখেন। পরে কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগ করে মাদরাসা মাঠে পথসভায় যোগদান করেন, পথসভা টি এক পর্যায়ে জনসভায় পরিণত হয়।এসময় সাধারণ মানুষের ব্যাপক আগ্রহ ও উচ্ছাস লক্ষ্য করা যায়। মহিলা ও তরুণদের আলাদা আগ্রহ ছিল লক্ষণীয়।